Biology: কোশ

দিন/রাত

CLASS NO: 01

কোশ (Cell) কাকে বলে?

সজীব পর্দাবৃত প্রোটোপ্লাজম সমুন্বিত যে ক্ষুদ্রতম অংশ অনুকূল পরিবেশে স্বপ্রজননক্ষম ও আত্মনির্ভরশীল এবং জীবনের প্রাথমিক গঠনগত ও কার্যগত এককরূপে কাজ করে, তাকে কোশ বলে।

কোশবাদ (Cell Theory)

কোশবাদের মূল বক্তব্য:

কোশের প্রকারভেদ

গঠনের ভিত্তিতে কোশকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:

  1. প্রোক্যারিওটিক কোশ (Prokaryotic Cell)
  2. ইউক্যারিওটিক কোশ (Eukaryotic Cell)

প্রোক্যারিওটিক কোশ (Prokaryotic Cell)

Pro = আদি, Karyon = নিউক্লিয়াস

সংজ্ঞা: যেসব কোশে আদর্শ নিউক্লিয়াস থাকে না অর্থাৎ, নিউক্লিয়াসে নিউক্লিয় পর্দা, নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয় জালিকা থাকে না এবং কোশে কোনো পর্দাঘেরা কোশঅঙ্গাণু থাকে না, ক্রোমোজোম গঠিত হয় না, তাদের আদিকোশ বা প্রোক্যারিওটিক কোশ বলে।
যেমন: ব্যাকটেরিয়া (রাইজোবিয়াম, ই. কোলাই), নীলাভ-সবুজ শৈবাল (নস্টক, অ্যানাবিনা), মাইকোপ্লাজমা ইত্যাদি।

প্রোক্যারিওটিক কোশের বৈশিষ্ট্য:

ইউক্যারিওটিক কোশ (Eukaryotic Cell)

Eu = সত্য, Karyon = নিউক্লিয়াস

সংজ্ঞা: যেসব কোশে সুগঠিত নিউক্লিয়াস (নিউক্লিয়ার মেমব্রেন, নিউক্লিওলাস, নিউক্লিয়ার জালিকা) এবং বিভিন্ন পর্দাবৃত কোশীয় অঙ্গাণু (যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, প্লাস্টিড ইত্যাদি) থাকে, তাদের ইউক্যারিওটিক কোশ বলে।
যেমন: অ্যামিবা, ইউগ্লিনা, সমস্ত ছত্রাক, উদ্ভিদ ও প্রাণী কোশ।

ইউক্যারিওটিক কোশের বৈশিষ্ট্য:

কোশের প্রধান অঙ্গাণুসমূহ

ধন্যবাদ