ট্রেন সংক্রান্ত অঙ্কগুলো কয়েকটি নির্দিষ্ট সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরি
হয়। এই সূত্রগুলো এবং তাদের পেছনের ধারণাগুলো ভালোভাবে বুঝতে পারলে আপনি
যেকোনো ধরনের ট্রেনের অঙ্ক সহজেই সমাধান করতে পারবেন।
মূল সূত্র (The Basic Formula)
ট্রেনের সমস্ত অঙ্ক মূলত একটাই সূত্রের উপর দাঁড়িয়ে আছে:
গতিবেগ (Speed) = দূরত্ব (Distance) / সময় (Time)
এই সূত্র থেকে আমরা আরও দুটি সূত্র পাই:
সময় = দূরত্ব / গতিবেগ
দূরত্ব = গতিবেগ × সময়
এককের রূপান্তর (Unit Conversion)
কিমি/ঘন্টা থেকে মিটার/সেকেন্ডে রূপান্তর: গতিবেগকে
5/18 দিয়ে গুণ করতে হবে। (কারণ: ১ কিমি/ঘন্টা = ১০০০ মি / ৩৬০০ সে = ৫/১৮ মি/সে) উদাহরণ: 72 কিমি/ঘন্টা = 72 × (5/18) = 20 মি/সে।
মিটার/সেকেন্ড থেকে কিমি/ঘন্টায় রূপান্তর: গতিবেগকে
18/5 দিয়ে গুণ করতে হবে。 উদাহরণ: 25 মি/সে = 25 × (18/5) = 90 কিমি/ঘন্টা।
বিভিন্ন পরিস্থিতি ও তার সূত্রাবলী
১. যখন ট্রেন একটি স্থির বিন্দুকে (পোস্ট, গাছ) অতিক্রম করে:
ধারণা: এক্ষেত্রে ট্রেনটি নিজের সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য
অতিক্রম করে।
সূত্র:
সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্য / ট্রেনের গতিবেগ
২. যখন ট্রেন একটি স্থির লম্বা বস্তুকে (প্ল্যাটফর্ম, সেতু) অতিক্রম করে:
ধারণা: এক্ষেত্রে মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের
দৈর্ঘ্য + বস্তুর দৈর্ঘ্য।
সূত্র:
সময় = (ট্রেনের দৈর্ঘ্য + বস্তুর দৈর্ঘ্য) / ট্রেনের
গতিবেগ
আপেক্ষিক গতিবেগ (Relative Speed)
যখন দুটি ট্রেন একই দিকে যায়: আপেক্ষিক গতিবেগ =
গতিবেগের পার্থক্য (S₁ - S₂)।
যখন দুটি ট্রেন বিপরীত দিকে যায়: আপেক্ষিক গতিবেগ =
গতিবেগের যোগফল (S₁ + S₂)।
৩. যখন দুটি ট্রেন (বিপরীত দিকে) একে অপরকে অতিক্রম করে: