ডিএনএ - এর সম্পূর্ণ নাম লেখ-
উত্তর: (A) ডি অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড।
ব্যাখ্যা: DNA এর পূর্ণরূপ হলো Deoxyribonucleic Acid। এটি জীবনের জেনেটিক নির্দেশাবলী বহনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ অণু।
আর এন এ (RNA) এর সম্পূর্ণরূপ টি হল-
উত্তর: (B) রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড।
ব্যাখ্যা: RNA এর পূর্ণরূপ হলো Ribonucleic Acid। এটি প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং জিন এক্সপ্রেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
DNA ও RNA -এর গঠনগত একক হল-
উত্তর: (B) নিউক্লিওটাইড।
ব্যাখ্যা: DNA এবং RNA উভয়ই নিউক্লিওটাইড নামক একক অণু দিয়ে গঠিত।
RNA-তে শর্করা থাকে -
উত্তর: (A) রাইবোজ।
ব্যাখ্যা: RNA অণুতে যে শর্করাটি থাকে তার নাম রাইবোজ (Ribose)।
প্রতিটি রাইবোনিউক্লিক ও ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (RNA) অণু যে উপাদানটি দ্বারা তৈরি, তা হল-
উত্তর: (D) নিউক্লিওটাইড।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি RNA এবং DNA অণু অসংখ্য নিউক্লিওটাইড দিয়ে গঠিত।
বংশগতির ধারক ও বাহক হল-
উত্তর: (C) নিউক্লিয়াস → ক্রোমোজোম → DNA → জিন।
ব্যাখ্যা: বংশগতির ধারক ও বাহক হলো DNA, যা জিনের সমন্বয়ে গঠিত এবং ক্রোমোজোমের উপর থাকে। ক্রোমোজোম নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত।
ক্রোমোজোমে DNA-এর মাত্রা হল-
উত্তর: (A) 40%।
ব্যাখ্যা: একটি ক্রোমোজোমে প্রায় 40% DNA এবং 60% প্রোটিন থাকে।
প্রতিটি ক্রোমোজোমে DNA অণু থাকে-
উত্তর: (A) একটি।
ব্যাখ্যা: সাধারণভাবে একটি ক্রোমোজোমকে একটি দীর্ঘ DNA অণু দ্বারা গঠিত ধরা হয়।
DNA-এর যে নির্দিষ্ট অংশ নির্দিষ্ট প্রোটিন সংশ্লেষের সংকেত বহন করে সেটি হল-
উত্তর: (A) জিন।
ব্যাখ্যা: জিন হলো DNA-এর একটি নির্দিষ্ট অংশ যা একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন বা RNA অণু সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য বহন করে।
DNA সংশ্লেষিত হয়-
উত্তর: (C) ইন্টারফেজের 'S' দশা।
ব্যাখ্যা: কোষচক্রের ইন্টারফেজ দশার 'S' (Synthesis) পর্যায়ে DNA প্রতিলিপিকরণ বা সংশ্লেষণ ঘটে।
DNA-এর যে নির্দিষ্ট অংশ নির্দিষ্ট প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করে, তাকে কী বলে?
উত্তর: (D) জিন।
ব্যাখ্যা: জিন হলো DNA-এর সেই অংশ যা নির্দিষ্ট প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী বা সংকেত ধারণ করে।
DNA-তে যে নাইট্রোজেন বেস অনুপস্থিত তা হল-
উত্তর: (A) ইউরাসিল।
ব্যাখ্যা: ইউরাসিল (U) শুধুমাত্র RNA-তে থাইমিনের পরিবর্তে পাওয়া যায়।
DNA-র পিরামিডিন বেসগুলি হল-
উত্তর: (D) থাইমিন ও সাইটোসিন।
ব্যাখ্যা: DNA-এর পিরামিডিন ক্ষারকগুলি হলো থাইমিন (T) এবং সাইটোসিন (C)।
DNA পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়া (গঠন) আবিষ্কার করেন-
উত্তর: (B) ওয়াটসন এবং ক্রিক।
ব্যাখ্যা: জেমস ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA-এর দ্বি-হেলিক্স (Double Helix) কাঠামো আবিষ্কার করেন।
অ্যাডেনিন ও থাইমিন _______ হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে এবং গুয়ানিন ও সাইটোসিন _______ হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে সংযুক্ত থাকে।
উত্তর: (A) ২ টি ও ৩ টি।
ব্যাখ্যা: DNA অণুতে, অ্যাডেনিন (A) এবং থাইমিন (T) দুটি হাইড্রোজেন বন্ধন দ্বারা এবং গুয়ানিন (G) এবং সাইটোসিন (C) তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধন দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
DNA-এর একটি প্যাঁচের মাপ-
উত্তর: (A) 34Å।
ব্যাখ্যা: DNA-এর দ্বি-হেলিক্স কাঠামোর একটি সম্পূর্ণ প্যাঁচের দৈর্ঘ্য হলো 34 অ্যাংস্ট্রম (Å)।
DNA অণুর গুয়ানিনের পরিপূরক ক্ষার মূলকটি হল-
উত্তর: (B) সাইটোসিন (C)।
ব্যাখ্যা: DNA অণুতে ক্ষারক-জোড় নীতি অনুযায়ী, গুয়ানিন (G) সবসময় সাইটোসিন (C) এর সাথে যুক্ত থাকে।
পিউরিণ-জাতীয় নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষারটি হল-
উত্তর: (A) অ্যাডেনিন।
ব্যাখ্যা: পিউরিণ-জাতীয় নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষারকগুলি হলো অ্যাডেনিন (A) এবং গুয়ানিন (G)।
পিরামিডিন-জাতীয় নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার নয়-
উত্তর: (D) গুয়ানিন।
ব্যাখ্যা: গুয়ানিন একটি পিউরিণ-জাতীয় ক্ষারক।
RNA-তে থাইমিনের বদলে যে ক্ষারটি থাকে তা হল-
উত্তর: (D) ইউরাসিল।
ব্যাখ্যা: RNA-তে থাইমিনের (T) পরিবর্তে ইউরাসিল (U) নামক পিরামিডিন ক্ষারক থাকে।
নীচের কোনটি DNA-তে থাকে, কিন্তু RNA-তে পাওয়া যায় না?
উত্তর: (C) থাইমিন।
ব্যাখ্যা: থাইমিন (T) শুধুমাত্র DNA-তে পাওয়া যায়।
কোনটি পিউরিণ নয়?
উত্তর: (C) থাইমিন।
ব্যাখ্যা: থাইমিন একটি পিরামিডিন ক্ষারক।
একজন অপরাধীকে চিহ্নিত করতে, ফরেনসিক বিভাগ এই কৌশলটি ব্যবহার করে যার নাম:
উত্তর: (C) DNA ফিঙ্গারপ্রিন্টিং।
ব্যাখ্যা: DNA ফিঙ্গারপ্রিন্টিং হলো একটি কৌশল যা দ্বারা ব্যক্তির অনন্য DNA প্রোফাইল তৈরি করে তাকে শনাক্ত করা হয়।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর অপর নাম কি?
উত্তর: (C) রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সাধারণত রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি (Recombinant DNA Technology) নামে পরিচিত।
DNA-এর অ্যাডেনিন (A) ও গুয়ানিন (G) বেসকে একত্রে বলে-
উত্তর: (A) পিউরিণ।
ব্যাখ্যা: DNA-এর নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারকগুলির মধ্যে অ্যাডেনিন (A) এবং গুয়ানিন (G) হলো পিউরিণ।
শ্যাম বেরিবেরি রোগে ভুগছে। এর কারণ তার _____ এর অভাব রয়েছে।
উত্তর: (C) ভিটামিন B1।
ব্যাখ্যা: বেরিবেরি রোগ ভিটামিন B1 (থায়ামিন)-এর অভাবে হয়।
লেবুতে কোন ভিটামিন থাকে?
উত্তর: (B) ভিটামিন-C।
ব্যাখ্যা: লেবু ভিটামিন-C (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড)-এর একটি চমৎকার উৎস।
রাতকানা হয়?
উত্তর: (A) ভিটামিন-A-র অভাবে।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন-A (রেটিনল)-এর অভাবে রাতকানা (Night Blindness) রোগ হয়।
যকৃতে সঞ্চয়িত হয় কোন ভিটামিন?
উত্তর: (A) ভিটামিন-A।
ব্যাখ্যা: যকৃত হলো ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন (A, D, E, K)-এর প্রধান সঞ্চয়স্থল।
ভিটামিন যা সাধারণত মানুষের প্রস্রাবের দ্বারা নির্গত হয়-
উত্তর: (C) ভিটামিন C।
ব্যাখ্যা: জল-দ্রবণীয় ভিটামিন (ভিটামিন C এবং B কমপ্লেক্স) শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত হলে মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়ে যায়।
কড লিভার তেল যে খাদ্যগুণে সমৃদ্ধ-
উত্তর: (A) ভিটামিন A এবং D।
ব্যাখ্যা: কড লিভার তেল ভিটামিন A এবং ভিটামিন D উভয়েরই উৎকৃষ্ট উৎস।
ভিটামিন সি হল -
উত্তর: (C) অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন C-এর রাসায়নিক নাম হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic Acid)।
কোন ভিটামিন টি ফ্যাটে দ্রবীভূত হয়?
উত্তর: (B) Vit D।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন A, D, E, এবং K হলো ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন।
দুধে কোন খাদ্য উপাদানের অভাব থাকে?
উত্তর: (A) Fe এবং ভিটামিন C।
ব্যাখ্যা: দুধে লোহা (Fe) এবং ভিটামিন C-এর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
মানব ত্বকে ভিটামিন D সংশ্লেষিত হয় কোন যৌগ থেকে?
উত্তর: (C) 7-ডিহাইড্রোকোলেস্টেরল।
ব্যাখ্যা: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের নিচে থাকা 7-ডিহাইড্রোকোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন D সংশ্লেষিত হয়।
জলে দ্রাব্য ভিটামিন কোনটি?
উত্তর: (D) ভিটামিন C।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন C এবং B কমপ্লেক্স জলে দ্রবণীয়।
ভিটামিন A এর প্রিভিটামিন হল-
উত্তর: (A) বিটা ক্যারোটিন।
ব্যাখ্যা: বিটা ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন A-তে রূপান্তরিত হয়।
কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম 'টোকোফেরল'?
উত্তর: (C) E।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন E-এর রাসায়নিক নাম হলো টোকোফেরল (Tocopherol)।
কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিফেরল?
উত্তর: (D) ভিটামিন D।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন D-এর রাসায়নিক নাম হলো ক্যালসিফেরল (Calciferol)।
কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড?
উত্তর: (D) ভিটামিন B5 এর।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন B5-এর রাসায়নিক নাম হলো প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড।
Vitamin B-এর অভাবজনিত রোগটি হল-
উত্তর: (A) বেরিবেরি।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন B1 (থায়ামিন)-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
Vitamin-K এর প্রধান কাজ-
উত্তর: (C) রক্ততঞ্চন।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন K-এর প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা।
কোন ভিটামিন জরায়ুর মধ্যে ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে?
উত্তর: (B) ভিটামিন E।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন E প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের সঠিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
বায়োটিন নামক ভিটামিনটি আগে যে নামে পরিচিত ছিল, তা হল-
উত্তর: (B) ভিটামিন H।
ব্যাখ্যা: বায়োটিন (ভিটামিন B7)-কে আগে ভিটামিন H বলা হতো।
অ্যাভিডিন হল একটি-
উত্তর: (A) অ্যান্টিভিটামিন।
ব্যাখ্যা: অ্যাভিডিন কাঁচা ডিমের সাদা অংশে পাওয়া একটি প্রোটিন যা বায়োটিনের শোষণকে বাধা দেয়।
অ্যান্টিহিমারেজিক ফ্যাক্টর হল-
উত্তর: (C) ভিটামিন K।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন K রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ করে বলে একে অ্যান্টিহিমারেজিক ফ্যাক্টর বলা হয়।
কোন ভিটামিনের অভাবে পেলাগ্রা রোগ হয়?
উত্তর: (B) ভিটামিন B3।
ব্যাখ্যা: পেলাগ্রা রোগটি ভিটামিন B3 (নিয়াসিন)-এর অভাবে হয়।
যে খনিজের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা যায়, সেটি হল-
উত্তর: (B) লোহ।
ব্যাখ্যা: লোহা (Iron) হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে রক্তাল্পতা (Anemia) দেখা যায়।
যে খনিজের অভাবে রক্তক্ষরণ ব্যাহত হয়, সেটি হল-
উত্তর: (A) Ca।
ব্যাখ্যা: ক্যালসিয়াম (Ca) রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় একটি অপরিহার্য ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।
ভিটামিন D তৈরি হয়-
উত্তর: (B) আর্গোস্টেরল।
ব্যাখ্যা: উদ্ভিদে আর্গোস্টেরল থেকে ভিটামিন D2 এবং প্রাণীদেহে 7-ডিহাইড্রোকোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন D3 তৈরি হয়।
দুধে কোন ভিটামিন বর্তমান?
উত্তর: (D) ভিটামিন A, B এবং D।
ব্যাখ্যা: দুধে ভিটামিন A, D এবং B কমপ্লেক্স ভালো পরিমাণে থাকে, কিন্তু ভিটামিন C খুব কম থাকে।
অস্টিওম্যালেশিয়া রোগ কোন ভিটামিনের অভাবে হয়?
উত্তর: (B) ভিটামিন-D।
ব্যাখ্যা: অস্টিওম্যালেশিয়া হলো প্রাপ্তবয়স্কদের রিকেট রোগ, যা ভিটামিন D-এর অভাবে হয়।
পেলাগ্রা ও স্কার্ভি নিচের কোন জোড়া ভিটামিনের অভাবে সংঘটিত হয়?
উত্তর: (B) ভিটামিন B3 এবং ভিটামিন C।
ব্যাখ্যা: পেলাগ্রা হয় ভিটামিন B3 (নিয়াসিন)-এর অভাবে এবং স্কার্ভি হয় ভিটামিন C-এর অভাবে।
কোন খনিজের অভাবে রিকেট রোগ হয়?
উত্তর: (B) ক্যালসিয়াম।
ব্যাখ্যা: রিকেট রোগ মূলত ভিটামিন D-এর অভাবে হলেও, ক্যালসিয়ামের অভাবও এর একটি অন্যতম কারণ।
ভিটামিনের কাজ প্রতিহত করে যে জৈব অণু তা হল-
উত্তর: (B) অ্যান্টিভিটামিন।
ব্যাখ্যা: অ্যান্টিভিটামিন হলো এমন যৌগ যা ভিটামিনের স্বাভাবিক কাজকে বাধা দেয় বা প্রতিহত করে।
ভিটামিনের মতো একই রকম দেখতে যে জৈব অণু তা হল-
উত্তর: (A) সিউডোভিটামিন।
ব্যাখ্যা: সিউডোভিটামিন হলো এমন যৌগ যার গঠন ভিটামিনের মতো হলেও জৈবিক কার্যকলাপ থাকে না।
স্টোমাটাইটিস এবং চিলোসিস রোগ দেখা দেয় যে ভিটামিনের অভাবে তা হল-
উত্তর: (C) রাইবোফ্ল্যাভিন।
ব্যাখ্যা: স্টোমাটাইটিস (মুখে ঘা) এবং চিলোসিস (ঠোঁটের কোণে ঘা) ভিটামিন B2 (রাইবোফ্ল্যাভিন)-এর অভাবের লক্ষণ।
নীচের কোনটি অ্যান্টি ভিটামিন?
উত্তর: (C) অ্যাভিডিন।
ব্যাখ্যা: অ্যাভিডিন কাঁচা ডিমে থাকে এবং বায়োটিনের (ভিটামিন H) কার্যকারিতা নষ্ট করে।
মিথাইলকোবালামিন এর ছদ্ম ভিটামিন হল-
উত্তর: (C) ভিটামিন B12-এর।
ব্যাখ্যা: মিথাইলকোবালামিন ভিটামিন B12-এর একটি সক্রিয় রূপ। কিছু যৌগ এর মতো গঠনযুক্ত হলেও কাজ করে না।
অ্যান্টিস্টেরিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধী ভিটামিন কোনটি?
উত্তর: (C) ভিটামিন E।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন E-কে অ্যান্টিস্টেরিলিটি বা বন্ধ্যাত্বরোধী ভিটামিন বলা হয়।
মাছের যকৃতের তেল সমৃদ্ধ:
উত্তর: (B) ভিটামিন-A এবং ভিটামিন-D উভয়ই।
ব্যাখ্যা: মাছের যকৃতের তেল ভিটামিন A এবং D-এর একটি উৎকৃষ্ট উৎস।
কোন ভিটামিনটি মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়?
উত্তর: (B) ভিটামিন D।
ব্যাখ্যা: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানব ত্বকে ভিটামিন D সংশ্লেষিত হয়।
কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম 'টোকোফেরল'?
উত্তর: (C) E।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন E-এর রাসায়নিক নাম হলো টোকোফেরল।
লেবুতে কোন ভিটামিন থাকে?
উত্তর: (B) ভিটামিন-C।
ব্যাখ্যা: লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C থাকে।
ভিটামিন সি হল -
উত্তর: (C) অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন C-এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক অ্যাসিড।
কোন ভিটামিনের অভাবে মানুষের স্কার্ভি হয়?
উত্তর: (D) ভিটামিন C।
ব্যাখ্যা: স্কার্ভি রোগ ভিটামিন C-এর গুরুতর অভাবে হয়।
কোন ভিটামিন তাপে নষ্ট হয়?
উত্তর: (B) ভিটামিন-C।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন C তাপ সংবেদনশীল, তাই রান্না করলে এটি সহজে নষ্ট হয়ে যায়।
অ্যানিমিয়া কোন ভিটামিনের অভাবে হয়?
উত্তর: (D) ভিটামিন B12।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন B12-এর অভাবে পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়া নামক রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
কোন ভিটামিনের রাসায়নিক নাম প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড?
উত্তর: (D) ভিটামিন B5 এর।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন B5-এর রাসায়নিক নাম প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড।
বেরিবেরির কারণ কী?
উত্তর: (B) ভিটামিন B1 এর অভাব।
ব্যাখ্যা: ভিটামিন B1 (থায়ামিন)-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
দৈনিক মূত্র উৎপাদনের পরিমাণ কত?
উত্তর: (B) 1.5 লিটার।
ব্যাখ্যা: একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দৈনিক গড়ে প্রায় 1.5 লিটার মূত্র উৎপাদন করে।
নিরামিষাশীদের জন্য ভিটামিন ও খনিজের প্রধান উৎস হল-
উত্তর: (C) শাক সবজি ও ফলমূল।
ব্যাখ্যা: নিরামিষাশীদের জন্য বিভিন্ন প্রকারের শাক-সবজি এবং ফলমূল হলো ভিটামিন ও খনিজগুলির প্রধান উৎস।