বিষয়: শব্দ ও তরঙ্গ (Sound & Wave)
সহজ পাঠ: ০২
তরঙ্গ কয় রকমের হয়? (Types of Waves)
তরঙ্গ বা ঢেউ মূলত দুই ধরনের হয়:
-
তির্যক তরঙ্গ (Transverse Wave):
এখানে ঢেউ যেদিকে যায়, কণাগুলো তার সাথে আড়াআড়িভাবে (উপরে-নিচে) কাঁপে। যেমন: জলের ঢেউ, আলোর তরঙ্গ।
-
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal Wave):
এখানে কণাগুলো যেদিকে কাঁপে (সামনে-পিছনে), ঢেউটাও সেই দিকেই যায়। যেমন: শব্দ তরঙ্গ।
তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ কী? (Electromagnetic Wave)
এটা এক বিশেষ ধরনের তরঙ্গ, যার চলার জন্য কোনো বন্ধুর (মাধ্যম) দরকার হয় না। এরা শূন্যস্থানেও চলতে পারে। যেমন: আলো, মোবাইল নেটওয়ার্ক, এক্স-রে।
শব্দ আর আলোর মধ্যে মিল-অমিল
| বিষয় | শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave) | আলোক তরঙ্গ (Light Wave) |
|---|---|---|
| প্রকৃতি | এ একা চলতে পারে না, এর বন্ধু (মাধ্যম) লাগে। | এ একাই একশো! এর কোনো বন্ধু (মাধ্যম) লাগে না। |
| ধরণ | এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। | এটি একটি তির্যক তরঙ্গ। |
| গতি (Speed) | এর গতি অনেক কম। | এর গতি (বিশাল) বেশি। |
তরঙ্গের কিছু জরুরি বিষয়
- বিস্তার (Amplitude): ঢেউটা কতটা উঁচু হচ্ছে। বিস্তার বেশি হলে শব্দ জোরে হয়।
- কম্পাঙ্ক (Frequency): এক সেকেন্ডে কতগুলো ঢেউ তৈরি হচ্ছে। কম্পাঙ্ক বেশি হলে শব্দ চিকন হয়।
- পর্যায়কাল (Time Period): একটা পূর্ণ ঢেউ তৈরি হতে কত সময় লাগে।
THANK YOU