সিউডোপোডিয়ার সাহায্যে গমন করে-
উত্তর: (a) অ্যামিবা।
ব্যাখ্যা: সিউডোপোডিয়া বা ক্ষণপদ হলো অ্যামিবার সাইটোপ্লাজমের অস্থায়ী প্রবর্ধক। অ্যামিবা এই ক্ষণপদ তৈরি করে এবং এর সাহায্যে স্থান পরিবর্তন করে, যাকে অ্যামিবয়েড গমন বলে।
প্যারামেসিয়াম গমন করে-
উত্তর: (c) সিলিয়ার সাহায্যে।
ব্যাখ্যা: প্যারামেসিয়ামের সারা দেহ ছোটো ছোটো চুলের মতো সিলিয়া দ্বারা আবৃত থাকে। এই সিলিয়াগুলির ছন্দোবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে প্যারামেসিয়াম জলে সাঁতার কাটে।
ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে গমন করে-
উত্তর: (b) ইউগ্লিনা।
ব্যাখ্যা: ইউগ্লিনার দেহের অগ্রভাগে একটি লম্বা, চাবুকের মতো অঙ্গ থাকে, যাকে ফ্ল্যাজেলা বলে। এই ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ইউগ্লিনা গমন করে।
অস্থিযুক্ত মাছের দেহে পাখনার সংখ্যা-
উত্তর: (c) 7টি।
ব্যাখ্যা: একটি আদর্শ অস্থিযুক্ত মাছে ৭টি পাখনা থাকে: ১টি পৃষ্ঠ, ১টি পুচ্ছ, ১টি পায়ু, একজোড়া বক্ষ এবং একজোড়া শ্রোণি পাখনা।
মায়োটম পেশি দেখা যায়-
উত্তর: (a) মাছে।
ব্যাখ্যা: মাছের মেরুদণ্ডের দু'পাশে 'V' আকৃতির যে খণ্ডকাকার পেশি দেখা যায়, তাকে মায়োটম পেশি বলে, যা সাঁতারে সাহায্য করে।
তরুণাস্থিযুক্ত মাছ হাঙরের দেহে পাখনা সংখ্যা-
উত্তর: (b) 5টি।
ব্যাখ্যা: তরুণাস্থিযুক্ত মাছ যেমন হাঙরের দেহে প্রধানত ৫ ধরনের পাখনা দেখা যায়।
মাছের দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে-
উত্তর: (a) পুচ্ছপাখনা।
ব্যাখ্যা: মাছের লেজে অবস্থিত পুচ্ছপাখনাটি নৌকার দাঁড়ের মতো কাজ করে দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।
মানুষের গমনাঙ্গ হল-
উত্তর: (b) পা।
ব্যাখ্যা: মানুষ দ্বিপদ প্রাণী এবং গমনের জন্য পা ব্যবহার করে।
নিম্নলিখিত কোন প্রাণী গমনে অক্ষম?
উত্তর: (a) প্রবাল, সাগর কুসুম।
ব্যাখ্যা: প্রবাল এবং সাগর কুসুম পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় কোনো অবলম্বনের সাথে আটকে থাকে এবং গমনে অক্ষম।
মাছকে জলে ভাসতে সাহায্য করে-
উত্তর: (c) পটকা।
ব্যাখ্যা: মাছের পটকা একটি গ্যাসপূর্ণ থলি, যা আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণ করে মাছকে জলের বিভিন্ন গভীরতায় ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে কতগুলি অস্থি থাকে?
উত্তর: (c) 206টি।
ব্যাখ্যা: একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট ২০৬টি অস্থি থাকে।
অ্যামিবা-র গমনাঙ্গের নাম কী?
উত্তর: (d) ক্ষণপদ।
ব্যাখ্যা: অ্যামিবার গমনাঙ্গের নাম ক্ষণপদ বা সিউডোপোডিয়া।
ইউগ্লিনা-র গমনাঙ্গ হল-
উত্তর: (c) ফ্ল্যাজেলা।
ব্যাখ্যা: ইউগ্লিনার গমনাঙ্গ হল চাবুকের মতো ফ্ল্যাজেলা।
গমন করতে পারে এমন একটি উদ্ভিদের নাম হল-
উত্তর: (b) ক্ল্যামাইডোমোনাস, ভলভক্স।
ব্যাখ্যা: ক্ল্যামাইডোমোনাস এবং ভলভক্স শৈবালের ফ্ল্যাজেলা থাকে, যার সাহায্যে তারা গমন করতে পারে।
গমন করতে পারে না এমন একটি প্রাণীর নাম-
উত্তর: (d) স্পঞ্জ।
ব্যাখ্যা: স্পঞ্জ পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় নিশ্চল জীবনযাপন করে এবং গমনে অক্ষম।
যে অস্থিসন্ধিতে একটি অস্থিকে অক্ষ করে অপর অস্থিটি ঘুরতে পারে-
উত্তর: (a) পিভট সন্ধি।
ব্যাখ্যা: পিভট সন্ধিতে একটি অস্থি অন্য একটি অস্থির চারপাশে ঘুরতে পারে, যেমন ঘাড়ের সন্ধি।
বল ও সকেট সন্ধি দেখা যায়-
উত্তর: (a) কাঁধে।
ব্যাখ্যা: মানুষের কাঁধের সন্ধি এবং ঊরুসন্ধি বল ও সকেট সন্ধির উদাহরণ।
ক্ষুদ্র অস্থি বা শর্ট বোন হল-
উত্তর: (a) স্টেপিস।
ব্যাখ্যা: স্টেপিস মানবদেহের ক্ষুদ্রতম অস্থি, যা মধ্যকর্ণে অবস্থিত।
চ্যাপটা অস্থি বা ফ্ল্যাট বোন হল-
উত্তর: (b) স্ক্যাপুলা।
ব্যাখ্যা: স্ক্যাপুলা বা কাঁধের অস্থি একটি চ্যাপটা ও ত্রিকোণাকার অস্থি।
হিঞ্জ সন্ধি দেখা যায় -
উত্তর: (c) কনুইতে।
ব্যাখ্যা: হিঞ্জ সন্ধি বা কব্জা সন্ধি কেবল একটি তলে চলাচল করতে পারে, যেমন কনুই এবং হাঁটুর সন্ধি।
অচল সন্ধি দেখা যায়-
উত্তর: (c) করোটিতে।
ব্যাখ্যা: মানুষের মাথার খুলির অস্থিগুলির মধ্যে অচল সন্ধি দেখা যায়।
দীর্ঘ অস্থি বা লং বোন হল-
উত্তর: (b) ফিমার।
ব্যাখ্যা: ফিমার বা ঊরুর অস্থি মানবদেহের দীর্ঘতম এবং শক্তিশালী অস্থি।
অ্যামিবয়েড গমন যে প্রাণীতে দেখা যায়, তা হল-
উত্তর: (c) অ্যামিবা।
ব্যাখ্যা: ক্ষণপদের সাহায্যে গমনকে অ্যামিবয়েড গমন বলে, যা অ্যামিবার বৈশিষ্ট্য।
মানুষের গমন পদ্ধতি হল-
উত্তর: (a) দ্বিপদ গমন।
ব্যাখ্যা: মানুষ দুই পায়ের সাহায্যে হেঁটে চলাচল করে, যাকে দ্বিপদ গমন বা Bipedal Locomotion বলা হয়।
সন্তরণ পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে-
উত্তর: (c) মাছ।
ব্যাখ্যা: সন্তরণ হলো জলে সাঁতার কেটে গমন। মাছ পাখনা এবং মায়োটোম পেশির সাহায্যে জলে সন্তরণ সম্পন্ন করে।
উড্ডয়ন পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে-
উত্তর: (c) পাখি।
ব্যাখ্যা: উড্ডয়ন হলো ডানার সাহায্যে আকাশে ওড়া, যা পাখির গমন পদ্ধতি।
মাছের গমনাঙ্গ কোনটি?
উত্তর: (a) পাখনা।
ব্যাখ্যা: মাছের প্রধান গমনাঙ্গ হলো পাখনা।
মানুষের মেরুদন্ডের অস্থি সংখ্যা-
উত্তর: (c) 33টি।
ব্যাখ্যা: মানুষের মেরুদণ্ডে মোট ৩৩টি কশেরুকা থাকে।
মানুষের করোটির অস্থির সংখ্যা-
উত্তর: (b) 22টি।
ব্যাখ্যা: মানুষের করোটি বা মাথার খুলিতে মোট ২২টি অস্থি থাকে।
নীচের অস্থিগুলির মধ্যে যেটির অবস্থান হাতে নয়, সেটি হল-
উত্তর: (d) ফিমার।
ব্যাখ্যা: রেডিয়াস, আলনা ও হিউমেরাস হাতের অংশ। ফিমার হলো ঊরুর অস্থি, যা পায়ের অংশ।
বক্ষপিঞ্জরে অস্থিসমূহের মোট সংখ্যা-
উত্তর: (b) 25টি।
ব্যাখ্যা: মানুষের বক্ষপিঞ্জর ১২ জোড়া পঞ্জরাস্থি (২৪টি) এবং একটি উরঃফলক (১টি) নিয়ে গঠিত, মোট ২৫টি।
ফিমার, টিবিয়া ও প্যাটেলার সম্মিলিত অস্থিসন্ধি হল -
উত্তর: (a) হাঁটু।
ব্যাখ্যা: হাঁটুর সন্ধিটি ফিমার, টিবিয়া এবং প্যাটেলা দ্বারা গঠিত হয়।
উরুসন্ধি বলা হয়-
উত্তর: (a) ফিমার ও শ্রোণিচক্রের সন্ধিকে।
ব্যাখ্যা: উরুসন্ধি বা হিপ জয়েন্ট ফিমারের মস্তক এবং শ্রোণিচক্রের অ্যাসিটাবুলাম গহ্বরের মধ্যে গঠিত হয়।
কাঁধের সন্ধিতে অবস্থিত দুটি অস্থি হল-
উত্তর: (a) স্ক্যাপুলা ও হিউমেরাস।
ব্যাখ্যা: কাঁধের সন্ধিটি স্ক্যাপুলার গ্লেনয়েড গহ্বর এবং হিউমেরাস অস্থির মস্তক দ্বারা গঠিত।
বল ও সকেট সন্ধির উদাহরণ হল-
উত্তর: (d) কাঁধ।
ব্যাখ্যা: কাঁধের সন্ধি হলো বল ও সকেট সন্ধির একটি প্রধান উদাহরণ।
লিগামেন্ট, টেনডন ও অস্থিসন্ধি হল-
উত্তর: (b) কঙ্কাল তন্ত্রের অংশ।
ব্যাখ্যা: এগুলি কঙ্কাল তন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা দেহের কাঠামো গঠন ও চলনে সাহায্য করে।
পায়রার ডানায় রেমিজেস পালকের সংখ্যা-
উত্তর: (d) 23টি।
ব্যাখ্যা: পায়রার প্রতিটি ডানায় ২৩টি বড় উড্ডয়ন পালক বা রেমিজেস থাকে।
পায়রার পুচ্ছে রেকট্রিসেস (পালকের) সংখ্যা-
উত্তর: (c) 12টি।
ব্যাখ্যা: পায়রার লেজে ১২টি বড় পালক বা রেকট্রিসেস থাকে যা দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।
নীচের যেটি পায়রার উড্ডয়ন পেশি নয়, সেটি হল-
উত্তর: (b) মায়োটম।
ব্যাখ্যা: পেক্টোরালিস মেজর, মাইনর এবং কোরাকো ব্রাকিয়ালিস পায়রার উড্ডয়ন পেশি। মায়োটম পেশি মাছে দেখা যায়।
মায়োটম পেশি থাকে-
উত্তর: (b) রুই মাছে।
ব্যাখ্যা: মায়োটম পেশি মাছের সাঁতারে সাহায্যকারী প্রধান পেশি।
দেহের সংশ্লিষ্ট দুটি অংশকে ভাঁজ হতে সাহায্য করে যে কঙ্কাল পেশি-
উত্তর: (a) ফ্লেক্সর।
ব্যাখ্যা: ফ্লেক্সর পেশির সংকোচনে অস্থিসন্ধি ভাঁজ হয়, যেমন বাইসেপস।
ভাঁজ হওয়া অবস্থা থেকে দেহের সংশ্লিষ্ট অংশদুটিকে প্রসারিত হতে সাহায্য করে, যে কঙ্কাল পেশি, তা হল-
উত্তর: (d) এক্সটেনসর।
ব্যাখ্যা: এক্সটেনসর পেশির সংকোচনে ভাঁজ হওয়া অঙ্গ প্রসারিত হয়, যেমন ট্রাইসেপস।
দেহের মধ্যরেখা থেকে কোনো অংশকে দূরে সরিয়ে নিতে সহায়তা করে, এমন কঙ্কাল পেশি হল-
উত্তর: (c) অ্যাবডাক্টর।
ব্যাখ্যা: অ্যাবডাক্টর পেশি অঙ্গকে দেহের মধ্যরেখা থেকে দূরে সরাতে সাহায্য করে।
কোনো অংশকে দেহের মধ্যরেখার কাছাকাছি আনতে সহায়ত করে যে পেশি, সেটি হল-
উত্তর: (c) অ্যাডাক্টর।
ব্যাখ্যা: অ্যাডাক্টর পেশি কোনো অঙ্গকে দেহের মধ্যরেখার দিকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
দেহের কোনো অংশকে ঘোরাতে সাহায্য করে, এমন কঙ্কাল পেশি হল-
উত্তর: (b) রোটেটর।
ব্যাখ্যা: রোটেটর পেশি কোনো অস্থিকে তার অক্ষ বরাবর ঘোরাতে সাহায্য করে।
মানবদেহের দীর্ঘতম পেশি হল-
উত্তর: (c) সারটোরিয়াস।
ব্যাখ্যা: সারটোরিয়াস মানবদেহের দীর্ঘতম (Longest) পেশি। (দ্রষ্টব্য: বৃহত্তম পেশি হল গ্লুটিয়াস ম্যাক্সিমাস)।
ফ্লেক্সনে সাহায্যকারী পেশি হল-
উত্তর: (b) বাইসেপস।
ব্যাখ্যা: বাইসেপস ব্র্যাকাই একটি ফ্লেক্সর পেশি, যা কনুই সন্ধিকে ভাঁজ করতে সাহায্য করে।
অ্যাডাকশনে সাহায্য করে-
উত্তর: (d) ল্যাটিসিমাস ডরসি।
ব্যাখ্যা: ল্যাটিসিমাস ডরসি একটি অ্যাডাক্টর পেশি, যা হাতকে দেহের মধ্যরেখার দিকে টেনে আনতে সাহায্য করে।
একটি অ্যাবডাক্টর পেশির উদাহরণ হল-
উত্তর: (a) ডেলটয়েড।
ব্যাখ্যা: ডেলটয়েড পেশি কাঁধে অবস্থিত এবং এটি অ্যাবডাকশনে অর্থাৎ হাতকে দেহ থেকে দূরে সরাতে সাহায্য করে।
গমনের সময় দেহের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে-
উত্তর: (c) লঘুমস্তিষ্ক।
ব্যাখ্যা: লঘুমস্তিষ্ক বা সেরিবেলাম দেহের ভারসাম্য রক্ষা এবং ঐচ্ছিক পেশির কাজ সমন্বয় করার প্রধান কেন্দ্র।