মানবদেহে উপস্থিত বিভিন্ন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হল-
উত্তর: (d) থাইরয়েড।
ব্যাখ্যা: অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (Endocrine gland) হল নালীবিহীন গ্রন্থি যা থেকে নিঃসৃত রস বা হরমোন সরাসরি রক্তে মিশে যায়। থাইরয়েড একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি। অন্যদিকে, লালাগ্রন্থি, যকৃৎ এবং অশ্রুগ্রন্থি হল বহিঃক্ষরা (Exocrine) গ্রন্থি।
কোনটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নয়?
উত্তর: (a) লালাগ্রন্থি।
ব্যাখ্যা: লালাগ্রন্থি একটি বহিঃক্ষরা গ্রন্থি, যা থেকে নিঃসৃত লালারস নালীর মাধ্যমে মুখে এসে মেশে। পিটুইটারি, থাইরয়েড এবং অ্যাডরিনাল গ্রন্থি হল অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
কোনটি মিশ্র প্রকৃতির গ্রন্থি?
উত্তর: (c) অগ্ন্যাশয়।
ব্যাখ্যা: যে গ্রন্থি অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা উভয় প্রকার কাজ করে, তাকে মিশ্র গ্রন্থি (Mixed gland) বলে। অগ্ন্যাশয় থেকে হরমোন (অন্তঃক্ষরা) এবং পাচক রস (বহিঃক্ষরা) উভয়ই ক্ষরিত হয়।
সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র অনাল গ্রন্থি হল-
উত্তর: (c) পিটুইটারি।
ব্যাখ্যা: প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে পিটুইটারি গ্রন্থি সবচেয়ে ছোট। তবে, মানবদেহের ক্ষুদ্রতম অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হল পিনিয়াল গ্রন্থি।
TSH (থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন) নিঃসৃত হয়-
উত্তর: (b) পিটুইটারি থেকে।
ব্যাখ্যা: TSH বা থাইরোট্রপিন হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ থেকে নিঃসৃত হয়ে থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
সোমাটোট্রফিক হরমোন [STH] নির্গত হয় যে গ্রন্থি থেকে তা হল-
উত্তর: (c) অগ্র-পিটুইটারি।
ব্যাখ্যা: STH (Somatotropic Hormone) বা গ্রোথ হরমোন (GH) পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ থেকে নির্গত হয় এবং দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
কোন অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে ACTH নিঃসৃত হয়?
উত্তর: (d) পিটুইটারি গ্রন্থি।
ব্যাখ্যা: ACTH (Adrenocorticotropic Hormone) পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ থেকে ক্ষরিত হয়ে অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অঞ্চলকে উদ্দীপিত করে।
পিটুইটারি গ্রন্থির অগ্রভাগ থেকে ক্ষরিত হয়-
উত্তর: (a) ACTH।
ব্যাখ্যা: ACTH অগ্র পিটুইটারি থেকে, MSH মধ্য পিটুইটারি থেকে এবং ADH ও অক্সিটোসিন পশ্চাৎ পিটুইটারি থেকে নিঃসৃত হয়।
পিটুইটারির পশ্চাৎভাগ থেকে নিঃসৃত হরমোন হল—
উত্তর: (d) ADH।
ব্যাখ্যা: ADH (অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোন) বা ভেসোপ্রেসিন পিটুইটারির পশ্চাৎভাগ থেকে নিঃসৃত হয়।
থাইরক্সিন ক্ষরিত হয়-
উত্তর: (a) থাইরয়েড থেকে।
ব্যাখ্যা: থাইরক্সিন হরমোন গলাতে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয় এবং দেহের বিপাক ক্রিয়া (BMR) নিয়ন্ত্রণ করে।
কোন্ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির ক্ষরণ পদার্থে আয়োডিন উপস্থিত?
উত্তর: (b) থাইরয়েড।
ব্যাখ্যা: থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের অন্যতম প্রধান উপাদান হল আয়োডিন।
'প্রভু গ্রন্থি' (Master gland) বলা হয়-
উত্তর: [D] পিটুইটারি গ্রন্থি।
ব্যাখ্যা: পিটুইটারি গ্রন্থি দেহের অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে বলে একে 'প্রভু গ্রন্থি' বলা হয়।
'প্রভুগ্রন্থির প্রভু' (Master of master gland) বলা হয়-
উত্তর: [B] হাইপোথ্যালামাস।
ব্যাখ্যা: হাইপোথ্যালামাস 'প্রভু গ্রন্থি' বা পিটুইটারি গ্রন্থির ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে, তাই একে 'প্রভুগ্রন্থির প্রভু' বলা হয়।
গ্লুকাগন নামক হরমোনটি নিম্নলিখিত কোথা থেকে উৎপাদিত হয়?
উত্তর: [A] অগ্ন্যাশয় আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স।
ব্যাখ্যা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের আলফা (α) কোশ থেকে গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়।
গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়-
উত্তর: (2) আলফা কোশ থেকে।
ব্যাখ্যা: আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের আলফা (α) কোশ থেকে গ্লুকাগন এবং বিটা (β) কোশ থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়।
নীচের কোনটি থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়?
উত্তর: [C] অগ্ন্যাশয়।
ব্যাখ্যা: অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা (β) কোশ থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স দেখা যায়-
উত্তর: (c) অগ্ন্যাশয়ে।
ব্যাখ্যা: আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স হল অগ্ন্যাশয়ে অবস্থিত অন্তঃক্ষরা কোশপুঞ্জ, যা থেকে হরমোন ক্ষরিত হয়।
অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থাকে—
উত্তর: (b) বৃক্কের ওপরে।
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বৃক্কের (Kidney) ওপরের দিকে টুপির মতো অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অবস্থিত।
অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিটি কার সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: (3) বৃক্ক।
ব্যাখ্যা: অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি বৃক্কের ঠিক উপরে অবস্থান করে এবং এর সাথে যুক্ত থাকে।
কেউ ভয় পেলে কোন হরমোন ক্ষরিত হয়?
উত্তর: [C] অ্যাড্রিনালিন।
ব্যাখ্যা: ভয়, রাগ বা উত্তেজনার সময় অ্যাড্রিনালিন হরমোন ক্ষরিত হয়। এটি দেহকে জরুরিকালীন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করে, তাই একে 'আপৎকালীন হরমোন' বলা হয়।
জরুরিকালীন গ্রন্থি কোনটি?
উত্তর: (b) অ্যাড্রিনাল।
ব্যাখ্যা: অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে জরুরিকালীন বা আপৎকালীন হরমোন (অ্যাড্রিনালিন) ক্ষরিত হয়, তাই এই গ্রন্থিকে 'জরুরিকালীন গ্রন্থি' বলা হয়।
শুক্রাশয়ের থেকে কোন্ হরমোন ক্ষরিত হয়?
উত্তর: [A] টেস্টোস্টেরন।
ব্যাখ্যা: শুক্রাশয় (Testis) পুরুষদের প্রধান জনন গ্রন্থি, যা থেকে পুরুষ যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ক্ষরিত হয়।
ডিম্বাশয় নিঃসৃত একটি হরমোনের নাম—
উত্তর: (a) ইস্ট্রোজেন।
ব্যাখ্যা: ডিম্বাশয় (Ovary) থেকে স্ত্রী যৌন হরমোন ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন নিঃসৃত হয়।
ডিম্বাশয় নিঃসৃত হরমোন নয়-
উত্তর: (c) টেস্টোস্টেরন।
ব্যাখ্যা: টেস্টোস্টেরন হল পুরুষ যৌন হরমোন, যা শুক্রাশয় থেকে ক্ষরিত হয়।
টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরিত হয়—
উত্তর: (a) শুক্রাশয় থেকে।
ব্যাখ্যা: টেস্টোস্টেরন প্রধানত পুরুষদের শুক্রাশয় থেকে ক্ষরিত হয়।
ডিম্বাণু নিঃসরণ প্রক্রিয়া উদ্দীপিত হয় কোন হরমোনের দ্বারা?
উত্তর: (a) LH।
ব্যাখ্যা: LH (লিউটিনাইজিং হরমোন) পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয়ে ডিম্বাণু নিঃসরণে (Ovulation) সাহায্য করে।
যে হরমোন ইস্ট্রোজেন ক্ষরণে সাহায্য করে, তা হল-
উত্তর: (d) FSH।
ব্যাখ্যা: FSH (ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন) ডিম্বাশয়ের ডিম্বথলির বৃদ্ধি ঘটায় এবং ইস্ট্রোজেন হরমোন ক্ষরণে উদ্দীপনা যোগায়।
কুশিং রোগ দেখা যায়—
উত্তর: (c) অ্যাড্রিনাল হরমোনের বেশি ক্ষরণে।
ব্যাখ্যা: অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স থেকে কর্টিসোল হরমোনের অধিক ক্ষরণের ফলে কুশিং সিনড্রোম (Cushing's Syndrome) রোগ হয়।
বামনত্ব বা ডোয়ারফিজম (Dwarfism) কোন হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে হয়?
উত্তর: (b) STH।
ব্যাখ্যা: শৈশবে STH বা গ্রোথ হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, যাকে বামনত্ব বলে।
অ্যাক্রোমেগালি হয় কোন হরমোনের বেশি ক্ষরণের ফলে?
উত্তর: (2) STH।
ব্যাখ্যা: প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে STH বা গ্রোথ হরমোনের অধিক ক্ষরণের ফলে অ্যাক্রোমেগালি রোগ হয়।
মিক্সিডিমা রোগ হয় কোন হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে?
উত্তর: (b) থাইরক্সিন।
ব্যাখ্যা: প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে থাইরক্সিন হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে মিক্সিডিমা রোগ হয়।
যে হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে ক্রেটিনিজম রোগ হয়, সেটি হল—
উত্তর: (a) থাইরক্সিন।
ব্যাখ্যা: শিশুদের ক্ষেত্রে থাইরক্সিন হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে ক্রেটিনিজম রোগ হয়, যাতে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
ব্যাঙাচির রূপান্তরে সাহায্য করে-
উত্তর: (b) থাইরক্সিন।
ব্যাখ্যা: থাইরক্সিন হরমোন ব্যাঙাচির রূপান্তরে (Metamorphosis) এবং পূর্ণাঙ্গ ব্যাঙে পরিণত হতে সাহায্য করে।
বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR) বৃদ্ধি করা প্রধান কাজ কোন হরমোনের?
উত্তর: (1) থাইরক্সিন।
ব্যাখ্যা: থাইরক্সিন হরমোন দেহের মৌল বিপাকীয় হার (Basal Metabolic Rate বা BMR) নিয়ন্ত্রণ করে।
ডায়াবেটিস মেলিটাস (মধুমেহ) রোগ হয়—
উত্তর: (a) ইনসুলিনের কম ক্ষরণে।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিন হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যাকে ডায়াবেটিস মেলিটাস বা মধুমেহ রোগ বলে।
অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোনের অপর্যাপ্ত ক্ষরণের কারণে যে রোগ হয় তা হল-
উত্তর: [B] ডায়াবেটিস মেলিটাস।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিনের অপর্যাপ্ত ক্ষরণের ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে না, ফলে ডায়াবেটিস মেলিটাস হয়।
রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে বা কমাতে যে হরমোনটি কার্যকরী তা হল-
উত্তর: A. ইনসুলিন।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিন রক্ত থেকে অতিরিক্ত গ্লুকোজকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে।
অ্যান্টিডায়াবেটিক হরমোন বলা হয়-
উত্তর: (2) ইনসুলিন।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিন ডায়াবেটিস বা মধুমেহ রোগ প্রতিরোধ করে, তাই একে অ্যান্টিডায়াবেটিক হরমোন বলা হয়।
অ্যান্টিকিটোজেনিক হরমোন বলা হয়-
উত্তর: (2) ইনসুলিন।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিন দেহে কিটোন বডি (ketone bodies) উৎপাদনে বাধা দেয়। তাই একে অ্যান্টিকিটোজেনিক হরমোনও বলা হয়।
বহুমূত্র রোগ (Diabetes Insipidus) কার নিয়ন্ত্রণাধীন?
উত্তর: (b) ADH।
ব্যাখ্যা: ADH বা অ্যান্টিডাইইউরেটিক হরমোনের কম ক্ষরণের ফলে বৃক্ক জল পুনঃশোষণ করতে পারে না, ফলে বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস রোগ হয়।
স্থানীয় হরমোন কোনটি?
উত্তর: (4) গ্যাসট্রিন।
ব্যাখ্যা: যে হরমোন উৎসস্থলের কাছাকাছি স্থানেই কাজ করে, তাকে স্থানীয় হরমোন বলে। গ্যাসট্রিন পাকস্থলী থেকে ক্ষরিত হয়ে পাকস্থলীর উপরই কাজ করে।
গ্যাসট্রিন হরমোন ক্ষরিত হয়-
উত্তর: (c) পাকস্থলী থেকে।
ব্যাখ্যা: গ্যাসট্রিন পাকস্থলীর মিউকাস স্তর থেকে ক্ষরিত হয় এবং হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) ক্ষরণে উদ্দীপনা যোগায়।
বৃক্ক থেকে নিঃসৃত প্রধান হরমোন-
উত্তর: (a) রেনিন।
ব্যাখ্যা: বৃক্ক থেকে রেনিন এবং এরিথ্রোপোয়েটিন নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসৃত হয়। রেনিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
হরমোন নামকরণ করেন-
উত্তর: (4) বেলিস ও স্টারলিং।
ব্যাখ্যা: ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী বেলিস ও স্টারলিং সর্বপ্রথম 'হরমোন' শব্দটি প্রবর্তন করেন।
হরমোনের রাসায়নিক প্রকৃতি হল-
উত্তর: (4) সব কটিই।
ব্যাখ্যা: হরমোন রাসায়নিকভাবে বিভিন্ন প্রকৃতির হতে পারে, যেমন—প্রোটিন বা পেপটাইড (ইনসুলিন), স্টেরয়েড (টেস্টোস্টেরন) এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড ডেরিভেটিভ (থাইরক্সিন)।
পরস্পর বিরোধী হরমোন জোড়া-
উত্তর: (1) ইনসুলিন—গ্লুকাগন।
ব্যাখ্যা: ইনসুলিন রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়, অন্যদিকে গ্লুকাগন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। এদের কাজ পরস্পর বিপরীত।
রক্তচাপ বৃদ্ধি করে কোন হরমোন?
উত্তর: (3) অ্যাড্রিনালিন।
ব্যাখ্যা: অ্যাড্রিনালিন হৃৎস্পন্দন ও রক্তনালীর সংকোচন বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।