অধ্যায়: বংশগতি (Heredity)

দিন/রাত

CLASS NO: 02

বংশগতির ভিত্তি ও জনকরা

জীবের বৈশিষ্ট্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হওয়াকে বংশগতি (Heredity) বলে। এই বিদ্যার প্রতিষ্ঠাতা ও জনক হলেন অস্ট্রিয়ার গ্রেগর জোহান মেন্ডেল। মটর গাছের (Pisum sativum) উপর তাঁর দীর্ঘ 8 বছরের (1856–1863) পরীক্ষার মাধ্যমে তিনিই প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বংশগতির সূত্র প্রদান করেন। এজন্য তাঁকে “মডার্ন জেনেটিক্সের জনক” বলা হয়।

মেন্ডেল বৈশিষ্ট্যকে “ফ্যাক্টর” হিসাবে অভিহিত করেছিলেন, যা বর্তমানে জিন নামে পরিচিত। পরবর্তীতে 1909 সালে ডেনমার্কের বিজ্ঞানী উইলহেলম জোহানসেন প্রথমবার “Gene” শব্দটি ব্যবহার করেন।

জিন ও ক্রোমোজোম

DNA-ই হলো আসল জেনেটিক পদার্থ — এটি হারসে ও চেজ তাঁদের বিখ্যাত ব্লেন্ডার পরীক্ষায় প্রমাণ করেন।

আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি আধুনিক কৌশল হলো DNA-finger printing – এর আবিষ্কারক স্যার অ্যালেক জেফ্রিস (1984)। বর্তমানে এটি অপরাধী শনাক্তকরণ ও পিতৃত্ব/মাতৃত্ব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ

মেন্ডেলের পরীক্ষা ও সূত্র

১. নির্বাচিত বৈশিষ্ট্য

মেন্ডেল মটর গাছে 7 জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ করেন (যেমন লম্বা/বেঁটে, বেগুনি/সাদা ফুল, গোল/কুঞ্চিত বীজ ইত্যাদি)।

২. সূত্রসমূহ

বিশেষ ঘটনা

মানুষে বংশগতির উদাহরণ ও রোগ

পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য (Quantitative Traits): বহু জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বৈশিষ্ট্য, যেমন – মানুষের উচ্চতা, ত্বকের বর্ণ।

আধুনিক জেনেটিক্স

গ্যামেটের হিসাব (Independent assortment)

জেনেটিক কোড

সংক্ষিপ্ত মূলকথা (যা থেকে প্রশ্ন আসে)